Natore Chlan Bil Museum – 3

চলনবিলের প্রথিতজশা লেখক ও গবেষক অধ্যাপক এমএ হামিদ এ অঞ্চলের ইতিহাস ঐতিহ্য পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণের লক্ষে ১৯৭৮ সালে নিজ এলাকা নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজিপুরে গড়ে তোলেন চলনবিল যাদুঘর। তিনি তার চেষ্টায় যাদুঘরকে সমৃদ্ধ করেছিলেন হাতে লেখা কোরআন শরীফ, মহারানী ভবানীর হাতে লেখা দলিল, চলনবিল অঞ্চলের মানুষের ব্যবহৃত নানান জিনিস-পত্র দুর্লভ পূরাকীর্তি, নানান ধরনের মুর্তি আর মূদ্রা দিয়ে। দুর্গম হওয়ায় বরাবরই কম হতো দর্শনার্থী। এ অবস্থায় সরকারের প্রতœতত্ব অধিদপ্তর প্রায় এক দশক আগে যাদুঘরটি তাদের তত্বাবধানে নেয়। সংস্কার আর সংরক্ষণের নামে মূল্যবান অনেক জিনিস নিয়ে যাওয়া হয় বগুড়া মহাস্থান যাদুঘরে। এর পর আর সেগুলো ফিরে আসেনি চলনবিল যাদুঘরে।